শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬
spot_img

উত্তর গাজা ছাড়তে বলছে ইসরায়েল: ট্রাম্প চাইছেন যুদ্ধে ইতি টানতে

উত্তরের গাজা উপত্যকার জবলিয়া ও গাজা সিটির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে যাচ্ছে ইসরায়েল। রোববার (২৯ জুন) সকাল থেকে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের দক্ষিণের খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি ‘মানবিক আশ্রয় কেন্দ্রে’ চলে যেতে বলা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

সেই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার (২৯ জুন) সকালে ট্রুথ সোশাল -এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “গাজায় চুক্তি করুন, জিম্মিদের ফিরিয়ে আনুন।”

এদিকে, গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জবলিয়ায় রাতভর হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে বহু মানুষ আহত হয়েছেন। খান ইউনিসে একটি টেন্ট শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “উত্তরের গাজায় হামাসের ঘাঁটি ধ্বংস করতে প্রবল শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং এই অভিযান আরও বিস্তৃত হবে।”

তবে জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলেছেন, “গাজায় কোথাও নিরাপদ নয়।”

মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি নতুন যুদ্ধবিরতি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও এতে সমর্থন দিয়েছে। হামাস জানিয়েছে, তারা আলোচনায় বসতে আগ্রহী, তবে শর্ত হলো যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ও ইসরায়েলের পূর্ণ প্রত্যাহার।

হামাসের মুখপাত্র বলেন, “আমরা এখনও জীবিত থাকা ২০ জন জিম্মিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত, কিন্তু যুদ্ধ বন্ধ না হলে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে, ইসরায়েল বলছে, হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না।

২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের আকস্মিক হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জন জিম্মি হয়। সেই উত্তরের পর ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজায় এ পর্যন্ত ৫৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইসরায়েলি অভিযানের ফলে গাজার ২৩ লাখ মানুষের প্রায় সবাই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ওই অঞ্চলজুড়ে খাদ্য, পানি, ওষুধ সংকট চরমে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ বলছে, “গাজা এখন বসবাসের অযোগ্য।

সর্বশেষ

ঈদুল আজহার ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত,...

একনেকে অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে...

সোনিয়া গান্ধী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন

শারীরিক জটিলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল ভারতীয় কংগ্রেসের...

৩ লাখ ৭৭ হাজার অতিক্রম করল সর্বজনীন পেনশন স্কীমের নিবন্ধন

দেশের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় আগ্রহ বাড়ছে। গত ৩০ এপ্রিল...

জনপ্রিয়

সাকিব আল হাসানের গোপনে করা সিনেমার শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ

গোপনে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু সেই...

মহাত্মা আহমদ ছফার জন্মদিন

আজ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিমান ও দ্রোহী চেতনার লেখক...

নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে একটি গোষ্ঠী জাতির সর্বনাশ করতে চাচ্ছে: মির্জা আব্বাস

একটি গোষ্ঠী নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে জাতির সর্বনাশ করতে চাচ্ছে...

চট্টগ্রামে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে রানওয়েতে আটকে পড়ে হজযাত্রীদের ফ্লাইট

সৌদি আরবের মদিনা থেকে আসা হজযাত্রীদের একটি ফ্লাইট যান্ত্রিক...

চট্টগ্রামের রাউজান থেকে আজমানে গিয়ে আবাসন সম্রাট, অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

চট্টগ্রামের রাউজানের জসিম উদ্দিন আবাসন-সাম্রাজ্য গড়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের...

ইরানে আদালত ভবনে জঙ্গি হামলা, নিহত ৫

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের জাহেদানে একটি আদালত ভবনে সুন্নি...

অনলাইনেই হবে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক-কর পরিশোধ

আমদানি-রপ্তানির শুল্ক-কর ‘এ চালান’ বা অটোমেটেড চালানের মাধ্যমে অনলাইনে...

রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে...
spot_img

এই বিভাগের আরো খবর

Popular Categories

spot_imgspot_img